শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
অর্থ ও বাণিজ্য

সংগ্রামের ৩৫ বছর: নিজের হাতে তৈরি ঢাকী বিক্রি করে জীবনযুদ্ধ চালাচ্ছেন কামিনি দাস

নিজস্ব প্রতিবেদক ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৩০ পি.এম

অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।” ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ বাজার সংলগ্ন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ বাজার সংলগ্ন মাছ ওয়ার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাসমালী কামিনি দাস। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে জীবনের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন তিনি। স্বামী-স্বজনহীন এই নারী নিজের হাতের তৈরি ঢাকী (বাঁশের তৈরি ঝুড়ি/পণ্য) বাজারে বাজারে বিক্রি করে কোনো রকমে চালাচ্ছেন তার সংসার।
প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয় তার কাজ। নিজের হাতে তৈরি করা ঢাকী নিয়ে তিনি ছুটে যান বিভিন্ন হাট-বাজারে। যা আয় হয়, তা দিয়েই জোটে তার দুবেলা খাবার। তবে কোনো দিন যদি ঢাকী তৈরি বা বিক্রি করতে না পারেন, সেদিন অনাহারেই কাটাতে হয় তার।
কামিনি দাস জানান, “আমি নিজের হাতে এই ঢাকী বানাই। এগুলো বিক্রি করেই আমার সংসার চলে। কিন্তু সবসময় বিক্রি হয় না। অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।”
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করেও দারিদ্র্যের বেড়াজাল থেকে বের হতে পারেননি তিনি। তার এই প্রতিভা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা।
জীবনের এই কঠিন সংগ্রামের মাঝেও হাল ছাড়েননি কামিনি দাস। নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তবে তিনি আশা করেন, সরকারি সহায়তা পেলে তার মতো অসহায় মানুষের জীবনযাত্রার মান কিছুটা হলেও উন্নত হবে।
শেষ কথা:
কামিনি দাসের মতো সংগ্রামী নারীদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। তাদের স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজন যথাযথ উদ্যোগ ও সহযোগিতা।